সে আর ফিরে আসে না। গায়ে হলুদ দেওয়া বিকেলে দু’টো একটা পয়সা দিলে যে ছেলেটা হরবোলা ডাক ডাকতে ডাকতে চলে যেত সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের কবিতার সেই ছেলেটাকেই যেন এখন হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে কলকাতা শহরবাসীরা। কোথায় গেল সেই ছেলেটা। সেই সহজ সুন্দর নরম কোমল অশ্রুবিন্দুর মতো নিটোল আর নিখুঁত সময়টাই বা গেল কোথায়? কওন গলি গাই শাম্?
ফুটত যে ফুল আজ কোথায়? এ ধরনের একটা হুতাশি ভাব এখন গোটা কলকাতার অলি-গলি বাড়ি ঘরদোরে। নস্ট্যালজিয়া এই মুহূর্তে, এ শহরের একটা নিদারুণ মানসিক ব্যাধি। তিন শো বছর ধরে একটু একটু করে বড় হওয়া এবং জ্বলে পুড়ে ধুয়ে মুছে ভেঙে চুরে পশ্চিমী দৃষ্টিকোণে নরকের সমগোত্রীয় এই শহরটার কি তবে এখন আত্মসচেতন হওয়ার সময়? আয়নায় যেমন করে মুখ দ্যাখে মধ্যবয়স্কা নারী?
অশ্রুঝলোমলো মুখে তোরঙ্গ থেকে বার করে আনে বিবর্ণ, সিপিয়ার ছোপ ধরা যৌবনের আত্মপ্রতিকৃতিগুলো। ভাবে, আমিও একদিন…। সেরকম?
না কি গত বিশ তিরিশ বছর ধরে লুই মাল, দোমিনিক লাপিয়ের, গুন্টের প্রাস প্রমুখ পশ্চিমী চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখকদের কলকাতা বর্ণনায় এ শহরের একটু আঁতে ঘা লেগেছে? এই আলোছায়া নদী নারীর শহরের? যার নদীতে আজ বালির পরত বাড়ছে। রাস্তায়, পার্কে ছায়া নেই। সন্ধের পর আলো ঝিলমিল করে ওঠে না আর। শহরের নারীদের মুখে আজ কোনও নিজস্ব আলো নেই। তাদের মুখ ভেসে যায় বিজ্ঞাপনে। বা, বোম্বাই-ফ্লোরেসেন্সে।
হয় তো ভাই-ই কলকাতার চা-খানা, কাফে, বার, রেস্তোরার আড্ডায় এ সব কথা আজ ঘুরে ঘুরেই ওঠে। শহরটা আর শহরটায় নেই। এবং কলকাতার মেয়েরাও আর কলকাতার সেই মেয়ে নেই। যাদের ঘিরে কলকাতার সব আধুনিক কবিদের চিরদিনের অবসেশন। বিপ্লব, যাদের কালো চুলের অন্ধকারে ডুবে যেত। যাদের কথাই হয় তো মনে করে কলকাতার জীবনানন্দ এ শহরের ভবিষ্যৎ মূর্তিকে তুলনা করেছিলেন তিলোত্তমা-র সঙ্গে। সেই সব তিলোত্তমা-অরুন্ধতী-বিপাশা-বিশাখারা যাদের, এমন কী অস্থির সময়ের যাটের দশকেও দেখা যেত গড়িয়াহাট-গোলপার্ক-শ্যামবাজারের দোকানবাজার, হকার্সকর্ণারে।
টাঙ্গাইল আর ধনেখালির স্বাভাবিক সুগন্ধের সঙ্গে। কবি অরুণ সরকারের সেই “বৃষ্টিভেজা বাড়ির মতো রহস্যময়/তোমার হাতে আছে আমার একটু সময়” তো সেই কলকাতার নারীকে নিয়েই লেখা। যার সঙ্গে মিলেজুলে আছে একটি অপাপবিদ্ধ, সুস্নাত, শান্ত পরিচ্ছন্ন নগরজীবন। যেখানে গলির মোড়ের জলভেজা বাড়ির জানলায় হাল্কা পক্ষা কচুরিপানা রঙের পর্দা ভাসে, ওড়ে। অন্য বাড়ির ছাত থেকে হয়তো একদিন ক্ষণিকের জন্য দেখা যায় এক কালো মেয়ে। কালো হরিণ চোখ। একবার, বাস, আর কোনও দিনও নয়। “জানা ছিল নাম/ বয়সে’ এবং/মনে ছিল রং/ধরে ফেলতাম তাকে ই-স্। আর একটু হলেই।”
সেই নারীদেরই প্রতীক ছিলেন সুচিত্রা সেন। ছিলেন তাঁর চোখের বিদ্যুতে, ঠোঁটের তেরছা, তীক্ষ্ণ সেলুয়াস হাসিতে। এবং সুচিত্রা সেনের সঙ্গে খুব স্বাভাবিকভাবেই জোট বেঁধে ছিল উত্তমকুমারের নাম। এবং সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের সুরেলা গলা। “কে তুমি আমারে ডাকো।” “গানে মোর কোন ইন্দ্রধনু।” উত্তমকুমারের সঙ্গেও যেমন জুড়ে গিয়েছিল হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গলা, কিছুটা বা শ্যামল মিত্রেয়ও। “আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যার দেশে।”
সুচিত্রা সেন এখন এক রহস্যময় স্ব-নির্বাসনে। হেমন্ত/শ্যামল মিত্র প্রয়াত। বাঙালি মধ্যবিত্তের রবিবারের দুপুর/রাত মাতানো অনুরোধের/ছায়াছবির গানের আসরের শেষ গানটি আর গেয়ে শোনান না সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। সে গলা এখন উধাও। কোকাকোলার মতো। বৃষ্টিভেজা একতলা বাড়িগুলোও সব যেন তছনছ হয়ে গিয়েছে। বহুতল বাড়ির উৎপাতে। উৎপাতে আর চিৎপাতে। প্রেমের কবিতাও এখন “পাসে” অর্থাৎ, সেকেলে। লোকে আজকাল চাকরির মতো প্রেমও করে। প্রেমে পড়ে না। কেন না মধ্যবিত্ত সমাজে আর প্রেমে এখন আর কোনও শত্রুতা নেই। অতএব পতনও নেই।
কিন্তু সেই সব ভীরু, তীরু চোখে চেয়ে যাওয়া প্রেমের গানের কী বিক্রিন এখন। বাংলা হোক, হিন্দি হোক। উত্তর বা দক্ষিণ কলকাতার রেকর্ড-ক্যাসেটের দোকান পরিক্রমায় তার তাৎক্ষণিক প্রমাণ মেলে। মেলে, পুজো-প্যান্ডেলেও। “আশিকি’র “নজর কে সামনে জিগর কে পাস”-এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেজে চলে দেবানন্দের ‘সি আই ডি’, ‘পেইং গেস্ট’ ছবির কবেকার আগেকার গানগুলো। “লেকে পহেলা পহেলা পেয়ার।” “ছোড় দো আঁচল জমানা কেয়া কহেগা।” আর, “আখোঁ হি আখোঁ যে ইশারা হো গ্যায়া?” সে গান তো এখন জীবনানন্দ বা সুধীন্দ্রনাথ দত্ত পড়া উচ্চশিক্ষিত বাঙালির বৈঠকখানায়। নস্টালজিয়ার ঢেউ ভেঙে ফেলছে উন্নাসিকতার প্রাত্যহিক ভণ্ডামি।
হোক না উচ্চশিক্ষিত, বা, ধারালোভাবে আত্মসচেতন। বহু বছর পরে কলকাতায় ফিরে আসা বিদেশের পাসপোর্টওয়ালা অধ্যাপক মশাই তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে বেরোবার সময় খোঁজ করেন পুরানো বাংলা ছবির। যা পুরানো হিন্দি ছবির। যা একদিন একদশক বা দু’দশক আগে উত্তরা-পূরবী-উজ্জ্বলা বা মিনার-বিজলী-ছবিঘরে দেখা হয়েছিল। পপকর্ণ এবং ম্যাগনোলিয়ার আইসক্রিম সহযোগে। আজ আবার সেই সব ছবির রমরমা। “বিঝন্দের বন্দী” বা “উত্তর ফাল্গুনী” বা “অগ্নিপরীক্ষা” এলে পর জীর্ণ, গুমেটি ছবিঘরগুলোও আবার জমজমাট হয়ে ওঠে। কলকাতার ভিডিও পার্লারগুলো ঘুরে আসুন একবার। খরে থরে সাজানো আছে “মধুমতী”, “চোরি চোরি”, “এক মুসাফির এক হাসিনা”-র কালো-সাদা প্রিন্ট।
কিছুদিন আগে এরকমই একটা ভিডিও পার্লারে দেখা হয়েছিল এক সতেরো-আঠেরো বছরের কিশোরীর সঙ্গে। রুখু শুধু মার্কিন কেতার কাঁধছোঁয়া মার্কিন কেতার চুল। খলবলে নয়ের দশকের ট্রেন্ডি টি শার্ট পরা। তার হাতে “মধুমতী”-র ক্যাসেট দেখে (সেই ‘সুহানা সফর’ আর ‘দিল তড়প ভড়প সে কহে রহা হ্যায়’-এর গানে ভরা) জিজ্ঞেসই করে ফেলেছিলাম এ ছবি সে নিজে দেখতে নিরে যাচ্ছে কি না। এত পুরানো ছবি তার ভাল লাগবে? সে কি দিলীপকুমারকে চেনে? “আমি দেখবো, বাবাও দেখবে। বাবার খুব পছন্দ তো…।” আন্দাজ করার চেষ্টা করেছিলাম ওর বাবার বয়েসের। সতেরো গ্লাস পঁচিশ। মানে বছর বেয়াল্লিশ। স্বাধীনতারই সমবয়সী।
অর্থাৎ ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট মধ্য রাতে প্রাপ্ত স্বাধীনতার সেই সন্তানদেরই একজন তিনি। চাচা নেহরুর হাত ধরে যারা “কিসমতের সঙ্গে মোলাকাত” শুরু করেছিল। নানা পথ, নানা মত, নানান সামাজিক, রাজনৈতিক আবর্তের মধ্যে ঘুরে ঘুরে সদ্য এখন যারা মধ্যবয়সে। তারাই এই স্মৃতি ভুলতে দিচ্ছে না। তারাই এই নস্ট্যালজিয়ার প্রধান শিকার। কলকাতার এই সদ্য মধ্যবয়স্ক আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্যে সফল মধ্যবিত্ত অনেকটা ঠিক মার্সেল প্রস্তের উপন্যাস “হারানো সময় সন্ধানের” কথকের মতো। যে কথক উনিশ শতকের প্যারিসের বা ফ্রান্সের রোদ ঝলোমলো এলাকার অ্যারিসটোক্রাটদের জীবনধারা দেখেছে। আবার বিশ শতকের সময়ের কাঁপুনিও যে টের পেয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মুখে। আমাদের কলকাতার এই সদ্য মধ্যবয়স্করা অনেকটা সেই কথকের মতো। একটানা চিরকালীন সরলরেখায় চলা ভারতীয় সময়ের মধ্যেই তারা দেখতে পেয়েছে চক্রাকার, নিজস্ব বৃত্তে ঘুরে মরা সময়ের পৃথক গণ্ডির নানান রঙ্গ।
এই মধ্যবিত্ত জন্মেছে পঞ্চাশের সদ্য স্বাধীনতার আবেশের মধ্যে। বড় হয়েছে ষাটের দশকের গেরুয়া পাঞ্জাবি, চা-চার্মিনারে আচ্ছন্ন বামপন্থী রাজনীতির ‘ইয়ে আজাদি ঝুটা হ্যায়’ স্লোগান মুখর দিন রাতে। আবার একই সঙ্গে তার চোখে জল এসেছে লতা মুঙ্গেশকরের গলায় কান্না তোলা দেশাত্মবোধক গান: যব ঘায়েল হয়ে হিমালয়, খতরে যে পড়ে আজাদি। তারপর এসেছে বিদ্রোহের দিন। ভিয়েতনাম যুদ্ধ, বাংলাদেশ, হাজার ফুল ফোটা মাওবাদী বিপ্লবের দিন। লাল উল্কিতে পরস্পরকে চেনা। মৃত্যুমুখর, বারুদের গন্ধেভরা। তারপর এল আশির দশক। তার মারুতি, আর রাজীব গান্ধী, সি-ডট আর ডেস্কটপ কম্পিউটার সংস্কৃতি নিয়ে। এল ইয়ামাহা মোটর সাইকেল, এল মাধুরী দীক্ষিত, আমীর খান। এলেন বহু দূরের গোরবাচেভতাঁর পেরেস্ত্রইকার স্বপ্ন সওদাগরি নিয়ে। এল নতুন যুগের পূর্ব ইউরোপ, এল রাম জন্মভূমি, এবং নয়া নাউশিরা। অতঃপর ক্লান্ত নব্বুইয়ে সে শুনতে পেল দুই জার্মানির মিলনের হাউই ওড়া শব্দ। শুনতে পেল ‘আশিকি’-র গান। “বাস্, এক সময় চাহিয়ে, আশিকিকে লিয়ে।”
অথচ যেন একটু দূরেই পড়ে রয়েছে সেই স্মৃতির শহর, সেই শৈশবের কলকাতা। শেষ ট্রামে বাড়ি ফেরা কলকাতা। লাল মসৃণ লেল্যান্ড বাসের কলকাতা। নিয়ন সাইন জুলা, জুক বক্সে গানবাজা রেস্তোরাঁ-র পরিচ্ছন্ন কলকাতা। পলসন মাখনের নরম হলুদ টাটকা স্মৃতির কলকাতা। ক্যাপস্টেনের টিনভরা ভরাট তামাকের কলকাতা। ইট সাজিয়ে ক্রিকেট খেলার কলকাতা। পিকে, বলরাম, চুনী গোস্বামীর কলকাতা। টিশেপ, আই শেপ ফুটবল। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের আবহমানতার কলকাতা। পুষ্পেন সরকারের রেডিও-রিলের কলকাতা। “এগিয়ে গিয়ে পনেরো ডিগ্রির অসম্ভব কোণ থেকে ডান পায়ে আউটসাইড সোয়ারভ করা এক প্রচণ্ড শট নিল পিকে।
গো-ও-ল।” মনে পড়ে?
হ্যাঁ মনে গড়ে। সারাক্ষণ মনে পড়ে। ভাল হোক, খারাপ হোক স্মৃতি মেদুরতাকে দূর ছাই করে বিদায় করে দেওয়া কোনও মধ্যবয়স্কের পক্ষেই সম্ভব নয়। এ অনেকটা প্রথম প্রেমিক/প্রেমিকাকে ভুলে যাওয়ার মতো অসম্ভব। যাঁরা কারণ খোঁজেন এই স্মৃতিমেদুরতার অন্তর্তদন্ত করতে গিয়ে তাদের কিছু ধরতাই যুক্তি আছে। আগে নিয়মনিষ্ঠা ছিল, এখন নেই। আগে মানুষ ভাল ছিল, এখন নেই। আগে দক্ষতা হিল, এখন নেই। আগে অপবার ছিল না, এখন আছে। আগে আবেগ ছিল, এখন নেই।
এর জন্যই না কি পুরানো যা কিছু সব ভাল। আর নতুন যা কিছু সব খারাপ। নতুনদের দৃষ্টিকোণে এ যুক্তি আমল পায় না। যুক্তি তাদেরও কম নেই। কেন ‘আশিকি’ খারাপ? আর কেনই বা ‘মধুমতী’ অতো দারুণ ভাল? অনুরাধা পাওড়াল কোন অর্থে লতা মঙ্গেশকরের থেকে নিরেস? নিতান্তই বয়স আর অভিজ্ঞতার কমে? কুমার সানুর গলাটাই বা খারাপ কী? এ এক নিষ্ফল তর্কাতর্কি। যে যার সময়ের পক্ষেই কথা বলে। চিরকালের বলে কিছু হয় না। “আমাদের কাল”, “তোমাদের কাল”, “ওদের কাল” বলেও কিছু হয় না। একজনের পুরনো “সময়ের” সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অন্যের “নতুন সময়।” বাবার “সময়ের” সঙ্গে যেভাবে নিজের সময়কে জড়িয়ে ফেলেছে ওই ভিডিও পার্লারের কিশোরী কন্যাটি।
সমর জড়িয়েও থাকে, আবার, ছেড়েও যায়। পুরানো সময় আর নতুন সময়ে তাই একটা প্রেম-ঘৃণার সম্পর্ক থেকেই যায়।
আরও প্রমাণ চাই। একদা যৌবনে স্পর্ধা আনা জ্যোতি বসু, সুচিত্রা সেন, দেবানন্দ, ওয়াহিদা রেহমানের আজকের ছবিগুলো দেখা যাক। দেখা যাক তিরিশ বছর আগেকার সদ্য বিবাহিতা সোনা পিসী, রাঙা কাকিমার আজকের মুখগুলো। একদা যারা আজকের এই মধ্যবয়স্কের বৈশাখী রাত্রি দিন জ্বালিয়ে দিয়েছিল রক্তকিংশুকে। কেমন ক্লান্ত, বয়স্ক, অবসন্ন, মোটা, লাগছে না ওই মুখগুলোকে? চোখের পাশে কাকের পা? আর হে সদ্য মধ্যবয়স্ক, মধ্যরাতের স্বাধীনতার সন্তান। নিজেকেও কি তেমন ভাল ভাবে দেখতে পান আপনি আজকাল? খুঁটিয়ে দেখতে হলে প্লাস পাওয়ারের চশমাটি পরতে হয় না? শরীরের পাকে পাকে আজ কি আর ফসফরাস জ্বলে ওঠে যখন তখন? যে সময় আপনাকে ছেড়ে চলে গেছে তার কাছেই ফিরতে চাইছেন কেন?
শনিবার, ১৩ অক্টোবর ১৯৯০, আনন্দবাজার পত্রিকা
সাম্প্রতিক প্রবন্ধ
পাগলা হাওয়ার বসফরাস
বিভাগ – শহর পৌরাণিক অভিধানে যে কথাই লেখা থাকুক, বসফরাসের চালু তুর্কি অর্থগুলো সবই
জাফর, গালিব আর সেই মহাবিদ্রোহ
বিভাগ – শহর সব ‘নতুন’-ই কোনও না কোনও দিন পুরনো হয়ে যায়। কলকাতার যেমন
পুরনো বিকেলে বিগত আড্ডা
বিভাগ – শহর স্মৃতির পাতায় কত কী যে গন্ধের দাগ। ফরাসি ঔপন্যাসিক মার্সেল প্রুস্তের
বারে বারে ফেরালে আমায়
বিভাগ – শহর সেই বার নেই সেই বারাঙ্গনারাও নেই। গায়ে-হলুদ-দেওয়া বিকেলে দুটো-একটা পয়সা পেলে
অপরাজেয় সুদেবদা
বিভাগ – ব্যক্তিগত বড্ড মিস করি কলকাতায় আসা ইস্তক সুদেবদাকে। হুট করে রাগ করে
চলো চলো, চিনে ফেলেছে
বিভাগ – ব্যক্তিগত অভিনয়ে উত্তমকুমার, আর সাংবাদিকতায় বরুণ সেনগুপ্ত। আশির দশকের গোড়া পর্যন্ত এটাই
এক সজ্জন প্রতিবেশী…
বিভাগ – ব্যক্তিগত রাজনীতি নাকি পাজি, বদমাইস (স্কাউনড্রেল)-দের শেষ আশ্রয়। জর্জ বার্নাড শ’র মতো
পাখি মোর ফিরে আয়
বিভাগ – ব্যক্তিগত একটা কথা আমার মাথায় কিছুতেই ঢোকে না। সুভাষ বসুকে আমরা, বাঙালিরা,
দিল্লি-সরকারের সাংস্কৃতিক বিপ্লৰ
বিভাগ – সাহিত্য সংস্কৃতি দৃশ্য এক। ভারতীয় শিল্প রুশদের হালয় জয় করছে-মস্কোভা নদী ধরে
শিল্পের সন্ধানে ক্রেতা…
বিভাগ – সাহিত্য সংস্কৃতি আর দু-এক সপ্তাহের মধ্যেই একটা সম্পূর্ণ নতুন ধরনের নিলাম ডাকা